সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করল এনসিপি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করল এনসিপি

এনসিপির মেয়র প্রার্থী

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য নিজেদের প্রাথমিক মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, আগামী রমজানের পরেই সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে এমন সম্ভাবনা মাথায় রেখে তারা নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে জোটগত সমঝোতার মাধ্যমেই তারা এই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জন্য এনসিপি তাদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদীব সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। 

ওই নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭টি ভোট পেয়ে নিজের শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থানের জানান দিয়েছিলেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত আদীব নগর ও পরিবেশ উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে নিয়মিত প্রতিনিধিত্ব করেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদের জন্য চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আসিফ মাহমুদ ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তিনি উপদেষ্টা পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং বর্তমানে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে বড় ভূমিকা রাখবে।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সূত্রমতে, তারা আপাতত মেয়র প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করলেও কাউন্সিলর প্রার্থীদের তালিকা নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার বৈঠকে বসবে দলটি। ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অক্ষুণ্ন রেখে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই প্রাথমিক নির্বাচনি প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।