আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১১:০১ পিএম
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দল ও জোটের মধ্যকার বৈঠক এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে বিদ্যুৎ সংকট, শিল্পকারখানার স্থবিরতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নিয়মিত তাদের কর্মপরিকল্পনা ও কর্মসূচি ঘোষণা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর একটি সরকারি বাসভবনে দেশের বেশ কয়েকটি সমমনা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে রাজধানী ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার বিকেলে মিন্টো রোডের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দেন।
এছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে বিরোধী দলের সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়। মানবাধিকার কমিশন ও বিচারব্যবস্থার মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করার প্রয়োজনীয়তার কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে বর্তমান লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আগামী পাঁচ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়, যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মসূচি শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ করা হবে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও নেতৃবৃন্দ জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন