শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬,
উপনির্বাচনের ফলাফল

মির্জা ফয়সল আমীনের বিপুল ভোটে জয়, মন্ত্রিসভায় দেখতে চান নেতাকর্মীরা

তানভীর হাসান তানু

অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

মির্জা ফয়সল আমীনের বিপুল ভোটে জয়, মন্ত্রিসভায় দেখতে চান নেতাকর্মীরা

ছবি: দিনাজপুর টিভি

মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ১৮৫টি কেন্দ্রের সবগুলোর ভোট গণনা শেষে এই আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন দুই লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট।

তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩১ হাজার ৪০৪।

ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ঠাকুরগাঁও জেলা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে মিষ্টি বিতরণ এবং পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন নেতাকর্মীরা।

এই বিশাল জয়ের পর এখন স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রধান প্রত্যাশা হয়ে উঠেছে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় দেখতে পাওয়া।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী জানান, উপনির্বাচনের এই বিশাল ব্যবধানের জয় বিএনপির প্রতি সাধারণ মানুষের অটুট আস্থার সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এই বিপুল জনসমর্থনের মূল্যায়ন হিসেবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীনকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের কর্মীরা।

সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিন বলেন, মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার বিষয়ে দল ও সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত কী হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা অধীর আগ্রহে সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন।

বিজয়ের পর দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, এই অর্জন কেবল তাঁর একার নয়; এটি সামগ্রিকভাবে দেশের গণতন্ত্র এবং ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত বিজয়। তিনি দল-মত নির্বিশেষে এলাকার সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ঠাকুরগাঁও গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী ময়দানে পাওয়া এমন বিপুল জনসমর্থনকে বাস্তব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও মানুষের জনকল্যাণে রূপ দেওয়াই এখন নির্বাচিত প্রতিনিধির প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।