অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। সকাল ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করবেন। ফল প্রকাশের পরপরই বেলা ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে বসে অনলাইন এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুত ফল জানতে পারবেন। পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ফলাফল সংগ্রহের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীরা যাতে অত্যন্ত সহজে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে ফল জানতে পারেন, সে জন্য অনলাইন ও এসএমএস উভয় মাধ্যমেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি নিশ্চিত করেছেন, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফল একযোগে উন্মুক্ত করা হবে। ১৬১৪০ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে অথবা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানা যাবে।
অনলাইনে ফলাফল দেখতে পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা বোর্ডের যৌথ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা এবং নম্বরপত্রসহ পূর্ণাঙ্গ মার্কশিট ডাউনলোড করা যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ডের ওয়েবসাইটে ‘রেজাল্ট’ অংশে ঢুকে তাদের নির্ধারিত সনাক্তকরণ নম্বর ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের পুরো ফলাফল শিট নামিয়ে নিতে পারবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সরাসরি ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে হলে বার্তা লেখার অংশে গিয়ে লিখতে হবে এইচএসসি, এরপর একটি খালি জায়গা বা স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পুনরায় স্পেস দিয়ে ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ হিসেবে ঢাকা বোর্ডের কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে লিখতে হবে HSC Dha এরপর রোল নম্বর ও ২০২৬ লিখে বার্তাটি ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা কোনো পত্রিকা অফিস থেকে সরাসরি ফল বিতরণ করা হবে না।
ফলাফলে কোনো আপত্তি থাকলে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। পুনর্নিরীক্ষণের পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও নির্দিষ্ট ফি জমাদানের প্রক্রিয়া পরবর্তীতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন