সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ভাগে কোরবানি দেওয়ার আগে যে ৪টি নিয়ম জানা জরুরি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২০, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

ভাগে কোরবানি দেওয়ার আগে যে ৪টি নিয়ম জানা জরুরি

ইসলামে সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য এককভাবে পশু কোরবানি করা সবচেয়ে উত্তম। বড় পশুর ক্ষেত্রে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কোরবানি করার সুযোগ ইসলামে রয়েছে। গরু, মহিষ ও উটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাতজন মিলে কোরবানি করা বৈধ।ভাগে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো সঠিক নিয়ত।

শরিকদের প্রত্যেকের উদ্দেশ্য হতে হবে একমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। সাতজনের মধ্যে একজনের উদ্দেশ্য কেবল মাংস খাওয়া হলে কারও কোরবানি সহিহ্ হবে না। অমুসলিম কেউ শরিক থাকলেও একই বিধান প্রযোজ্য হবে।

কয়েকজন মিলে পশু কেনার পর কোনো অংশীদার হঠাৎ মারা গেলে তার প্রাপ্তবয়স্ক উত্তরাধিকারীদের অনুমতি নিয়ে কোরবানি সম্পন্ন করা যাবে। তারা অনুমতি না দিলে মৃত ব্যক্তির ভাগ আদায় হবে না এবং পুরো পশুর কোরবানিই বাতিল হয়ে যাবে।যৌথ কোরবানির ক্ষেত্রে পশু কেনার আগেই অংশীদার নির্দিষ্ট করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

সামর্থ্যবান ব্যক্তি একা কোরবানি করবেন ভেবে পশু কেনার পরও অন্য কাউকে শরিক করতে পারবেন। যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয় এমন দরিদ্র ব্যক্তি কোরবানির উদ্দেশ্যে পশু কিনলে তা আল্লাহর জন্য উৎসর্গ হয়ে যায়। তখন তার জন্য পরে অন্য কাউকে শরিক হিসেবে নেওয়া আর জায়েজ থাকে না।

কোরবানির মাংস অনুমানের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা পুরোপুরি গুনাহের কাজ।মাংস অবশ্যই সঠিকভাবে ওজন করে বণ্টন করতে হবে, তা না হলে কারও অংশ কমবেশি হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। পশুতে কোনো মানত বা অসিয়তের অংশ থাকলে মাংস বণ্টনে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।