অক্টোবর ৯, ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে দারুণ শুরুর পরও দ্বিতীয় সেশনের শেষভাগে আচমকা ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মাত্র চার রানের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ তিন ব্যাটারকে হারিয়ে হঠাৎ চাপে পড়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ২৫০ রান। উইকেটে অপরাজিত রয়েছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বাংলাদেশের এটিই প্রথম টেস্ট ম্যাচ। ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সাহসী সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের সঙ্গে নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একাদশ গড়ে বাংলাদেশ।
ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং উপহার দেন তানজিদ হাসান তামিম। তার আত্মবিশ্বাসী স্ট্রোকপ্লেতে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় আফগানদের বোলিং আক্রমণ। অন্য প্রান্তে আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম দেখেশুনে সাবধানী ব্যাটিংয়ে ইনিংস মেরামত করেন। ওপেনিং জুটিতে শক্ত ভিত পাওয়ার পর তানজিদ ৮৩ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন।
তানজিদের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন মুমিনুল হক। দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ও মুমিনুল মিলে দলীয় ইনিংসে মূল্যবান ৬০ রান যোগ করেন। সাদমান ব্যক্তিগত অর্ধশতক স্পর্শ করার পর ৬৭ রান করে মোহাম্মদ সেলিম সাফির বলে আউট হন।
এরপর মুমিনুল ও শান্তর যুগলবন্দিতে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যাওয়ার আশা জাগায়। দুজনেই ইতিবাচক মেজাজে রান তুলতে থাকেন, তবে কেউই নিজেদের ব্যক্তিগত ইনিংসকে ফিফটিতে রূপ দিতে পারেননি।
মুমিনুল ৩৯ রানে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন।
এর পরপরই ঘটে সেই ছন্দপতন। কায়েস আহমেদের বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন অধিনায়ক শান্ত। পরপর দুই ভরসার বিদায়ে দল যখন সামলে ওঠার অপেক্ষায়, তখনই শূন্য রানে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। সাত বল খেলে রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন তিনি।
মাত্র চার রানের ব্যবধানে তিন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারকে হারিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে যায় দল। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ার লড়াইয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন