শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬,

ডিম উৎপাদন বাড়াতে নদী খননের সঙ্গে হাঁস পালনের পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী

আবু সালেহ মোঃ রায়হান

অক্টোবর ৯, ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

ডিম উৎপাদন বাড়াতে নদী খননের সঙ্গে হাঁস পালনের পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী

ছবি: দিনাজপুর টিভি

প্রাণিসম্পদ ও পানিসম্পদ খাতের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব ডিম দিবসের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের সামগ্রিক বিকাশের সঙ্গে টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার অত্যন্ত নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। দেশব্যাপী নদী, খাল ও প্রাকৃতিক জলাশয় পুনঃখননের পাশাপাশি এসব জলাশয়ে ব্যাপকভাবে হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে তা ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের নদী, খাল ও জলাশয় খননের যে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, তার সঙ্গে হাঁস পালন কার্যক্রমকে যুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।

ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খনন করা খাল ও জলাশয়গুলোতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে হাঁস পালনের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হলে জাতীয় পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত ডিম দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ধরনের টেকসই উদ্যোগ বাস্তবায়নে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সুসংহত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

শোভাযাত্রা শেষ করে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম এবং জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক ডা. মো. শহিদুল ইসলাম। আলোচনা সভায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা অংশ নেন।