নভেম্বর ৯, ২০২৫, ০৭:৫১ পিএম
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দিন দিন কলার আবাদ বাড়ছে। অপেক্ষাকৃত কম পরিশ্রমে ও কম খরচে ভালো ফলন পাওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকরা এখন কলা চাষের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এবছর কলার বাম্পার ফলন হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, যার ফলে দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় চাষিদের প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না।
হিলি এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে এখন অনেক পতিত জমি, পুকুর পাড় ও উঁচু জমিতেও কলার বাগান দেখা যাচ্ছে। এই এলাকার মাটি কলা চাষের উপযোগী হওয়ায় এবং অন্যান্য প্রচলিত ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা সবরি, সাগর, মেহের সাগর, চম্পা ও আনাজি কলার চাষে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
হিলির কয়েকজন কলা চাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একবার চারা রোপণ করলে তা থেকে কয়েক মৌসুম ফলন পাওয়া যায় এবং উৎপাদন খরচও কম হয়। কিন্তু এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কলার ফলন হয়েছে ব্যাপক, যা এখন কৃষকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ।কলা চাষিরা জানান, বাজারে কলার আমদানি বেড়ে যাওয়ায় প্রতি কান্দি (কাঁদি) কলার দাম গত বছরের তুলনায় কমে গেছে।
গত বছর যে কান্দি কলা ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এবার সেই কলার দাম ২৫০-৩০০ টাকা। উৎপাদন খরচ উঠে এলেও, যে লাভ আশা করেছিলাম, তা হচ্ছে নাহাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম বলেন, চলতি বছরে হাকিমপুর-হিলি উপজেলাতে ৭ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কলা চাষে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন