রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ছাদ কৃষিতে কর রেয়াত অব্যাহত রাখা ও পরামর্শ চাইলেন উদ্যোক্তারা, ভালো ফলন আমনের

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১২, ২০২৫, ০৮:০২ পিএম

ছাদ কৃষিতে কর রেয়াত অব্যাহত রাখা ও পরামর্শ চাইলেন উদ্যোক্তারা, ভালো ফলন আমনের

নগর কৃষির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন শহরের অনেকেই, যেখানে খাদ্য উৎপাদনের তাগিদ থেকে যুক্ত হচ্ছেন ছাদ কৃষি কার্যক্রমে এবং রাজধানীর মালিবাগের বাসিন্দা মনির হোসেন মনে করছেন আগামীর বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে প্রতিটি নাগরিকেরই কৃষির প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত|

 সবুজের সঙ্গে বসবাসের ইচ্ছে থেকেই তিনি তার সাততলা ভবনের দুই হাজার দুইশো বর্গফুটের ছাদজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ফল আর ফসলের আয়োজন করেছেন যেখানে রয়েছে দেশী-বিদেশী নানা জাতের আম গাছ আর গাছের নিচে সবুজ শাকসবজি, তিনি প্রতিদিন|

সময় করে গাছের যত্ন নেন এবং শতব্যস্ততার পরও এখান থেকেই পান প্রাণশক্তি ও তৃপ্তি, তিনি জানান যে ছোট পরিসর থেকে আস্তে আস্তে তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন |

যেখান থেকে তিনি বিষমুক্ত ফল পাচ্ছেন এবং শুধু ছাদ কৃষি নয়, গ্রামেও আছে তার কৃষি ও গাভীর খামার, আর এই উদ্যোক্তার মতে ছাদ কৃষির জন্য ট্যাক্স রিবেট চালু রাখা প্রয়োজন, যা তিনি এক বছর পেলেও গত দুই বছর পাননি বলে অভিযোগ করেন এবং একই সাথে ছাদ কৃষি করার জন্য সরকারি বিভাগ থেকে যে সমস্ত পরামর্শ দরকার, সেটাও তারা একেবারেই পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন; এই দুটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে শহরে ছাদ কৃষির সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে, নোয়াখালীর হাতিয়ার মাঠে মাঠে এখন পাকা আমন ধান, প্রায় চার মাস আবাদের পর ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় এখানকার কৃষকেরা এবং মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টি হলেও অনুকূল আবহাওয়া ও পলিযুক্ত মাটির কারণে ধানের রোগবালাই কম হওয়ায় আমনের ফলন ভালো হয়েছে, এতে ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে। তবে কৃষকেরা বলছেন, এ বছর সারের সংকটের কারণে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কেনায় ধান উৎপাদন খরচ বেশি হয়েছে এবং তারা দাবি করেন যে সরকার সময়মতো সারের বরাদ্দ আরো ভালো করে দিলে কৃষকরা আরও ভালো ফসল পাবে, কারণ তারা সময়মতো সার পাচ্ছেন না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, চলতি মৌসুমে হাতিয়া উপজেলার ৭,৭৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১,০০০ হেক্টর বেশি এবং স্থানীয় জাত প্রায় দশ হাজার হেক্টর ছাড়াও উন্নত ফলনশীল জাতগুলোর মধ্যে বিরি ধান ৫২, ৮০, ৮৭ এবং ৪৯-এর উৎপাদন ভালো হয়েছে। অন্য একটি কৃষি সংবাদে বলা হয়েছে যে, দীর্ঘ ১১ বছর পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় ভারতীয় আপেল আমদানি শুরু হয়েছে; ফল আমদানির ক্ষেত্রে ট্রাকের চাকা অনুযায়ী শুল্কায়ন প্রথা চালু থাকায় এতদিন স্থবির থাকা ফল আমদানি কার্যক্রম আবারো সচল হয়েছে, এতে হিলি বন্দরে শ্রমিক, সিএন্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, এখনো কোনো আমদানিকারক খালাসের সার্টিফিকেট গ্রহণের আবেদন করেননি এবং আবেদন পেলেই পরীক্ষণ শেষে দ্রুত সার্টিফিকেট দেওয়া হবে, এরপর কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পণ্য খালাস করা যাবে।