রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ন্যায্য দাম না পাওয়ায় শেরপুরে আমন ধান ঘরে তুলতেও হতাশ কৃষকরা।

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১০:০৭ পিএম

ন্যায্য দাম না পাওয়ায় শেরপুরে আমন ধান ঘরে তুলতেও হতাশ কৃষকরা।

শেরপুর জেলার কৃষকরা বর্তমানে রোপা আমন ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠজুড়ে এখন সোনালী হাসির দৃশ্য দেখা গেলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তাদের মাঝে প্রবল দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে। দুর্যোগ কাটিয়ে ফলন নিয়ে তারা সন্তুষ্ট থাকলেও উৎপাদন খরচ এবং শ্রমিকের মজুরির তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম থাকায় লাভ থাকছে সামান্যই।

চাষিরা কাটারি ভোগ, পায়জাম ও হাইব্রিড জাতের ধানিগোল্ড ধান চাষ করেছেন এবং তারা আশা করছেন প্রতি একর জমিতে ৬০ থেকে ৭০ মণ পর্যন্ত ফলন পাবেন, যা আশানুরূপ। তবে কৃষকদের অভিযোগ, বীজ, সার|

 ট্রাক্টর ও শ্রমিক খরচসহ উৎপাদন ব্যয় মেটানোর পর ধানের যে বাজারদর, তাতে তাদের কোনো লাভই থাকছে না; বর্তমানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৬০০ টাকা।

অসময়ের বৃষ্টি এবং পোকার আক্রমণে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও কৃষি অফিস জানাচ্ছে, জেলায় আমন চাষের মোট ৯৩ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমির মাত্র দশমিক শূন্য তিন শতাংশ (৬৩ হেক্টর) আক্রান্ত হয়েছে এবং লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন অর্জিত হবে। কিন্তু স্থানীয় কৃষকদের বড় অভিযোগ হলো|

 সরকারিভাবে যে প্রণোদনার সার এবং বীজ দেওয়া হয়, তা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বদলে এলাকার প্রভাবশালী ও বিত্তবানরা হাতিয়ে নিচ্ছেন এবং তারা এসব সার-বীজ বাজারে চড়া দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন, ফলে প্রকৃত কৃষকরা সেই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই জেলার প্রায় ২৫ ভাগ ধান কাটা হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ৫০ ভাগ ধান কর্তন হয়ে যাবে এবং সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হলেই কৃষকরা তাদের ফসলের সঠিক দাম পাবেন।