রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মুন্সীগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:১৮ পিএম

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মুন্সীগঞ্জে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় এবার মুন্সীগঞ্জের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। ইতিমধ্যেই জেলাজুড়ে আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সরকারের পক্ষ থেকে সময়োপযোগী সহায়তা পাওয়ায় জেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে এবং ফলনও হয়েছে অত্যন্ত ভালো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে জেলায় রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে।

কিন্তু সরকারি প্রণোদনা ও কৃষকদের উচ্চফলনশীল জাতের বীজ সরবরাহ করায় মোট ৩ হাজার ৬৮১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করা সম্ভব হয়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪৬ হেক্টর অতিরিক্ত।

আবাদকৃত রোপা আমনের মধ্যে সিরাজদিখান উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ১৪৬ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এছাড়াও সদর উপজেলায় ১২০ হেক্টর টংগিবাড়ীতে ৪৫ হেক্টর লৌহজংয়ে ২০৫ হেক্টর শ্রীনগরে ১২০ হেক্টর এবং গজারিয়ায় ৩৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। লৌহজং উপজেলার হাড়িদিয়া গ্রামের কৃষক স্বপন ঢালী জানান তিনি চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে রোপা আমন ধান আবাদ করেছেন এবং পানি দেরিতে আসলেও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে।

10426

তিনি আরও জানান সম্প্রতি বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে কিছু ধানের গাছ হেলে পরলেও তেমন কোনো বড় ক্ষতি হয়নি এবং ধান কাটা গেছে। বনসেমন্ত গ্রামের কৃষক লতিফ শেখ বলেন সরকার থেকে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ পাওয়ায় তার ৭ একর জমিতে ফলন বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান জানান সরকার থেকে চলতি মৌসুমে কৃষকদের মধ্যে প্রণোদনার উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ সরবরাহ করা হয়েছে এবং আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড় বা বৃষ্টি না হওয়ায় এবার ফলন আশানুরূপ হয়েছে এবং কৃষকরা ফলন পেয়ে সন্তুষ্ট। তিনি নিশ্চিত করেন যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাড়ে ৯শ হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ হয়ে গেছে এবং চলতি মাসের মধ্যেই মুন্সীগঞ্জের সম্পূর্ণ আমন ধান কাটা শেষ হয়ে যাবে।