নভেম্বর ১৫, ২০২৫, ০৭:২৫ পিএম
যেখানে স্থান পেয়েছে নোয়াখালীর হাতিয়া ও মেহেরপুরের সফল কৃষি উদ্যোক্তাদের গল্প এবং খাগড়াছড়ির একটি বিশেষ ধান জাতের প্রচার কার্যক্রম। নোয়াখালীর হাতিয়ার শূন্যচর গ্রামের যুবক সালাহউদ্দিন মালেক উচ্চশিক্ষা (বিবিএ) শেষ করেও চাকরির পেছনে না ছুটে ইউটিউব এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে পরিত্যক্ত জমিতে উন্নত জাতের|
রেডগান ২ ও টপ লেডি পেঁপে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে সফল হয়েছেন, যা এলাকার অন্য যুবকদেরও কৃষি উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করছে। তিনি প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ পেঁপে চারা রোপণ করেছেন|
যাতে চারা ও পরিচর্যা বাবদ মোট দেড় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে; তবে এক বছর ধরে ফসল সংগ্রহ করে এখন পর্যন্ত চার লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করেছেন|
এবং ভবিষ্যতে আরও এক বছর পরিচর্যা করতে পারলে পাঁচ লাখ বা তারও অধিক টাকার পেঁপে বিক্রির আশা করছেন। বর্তমানে তার বাগানের গাছগুলোর বয়স দশ মাস এবং প্রতিটি গাছে দেড় মন থেকে দুই মন পর্যন্ত পেঁপে ধরছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে,|
যেখানে কাঁচা পেঁপের চাহিদা বেশ ভালো এবং পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, কৃষি বিভাগ জানিয়েছে যে তারা পেঁপে চাষের সম্প্রসারণের জন্য নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে যাতে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও সরবরাহ করা যায় এবং সরকারি সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা আরও ভালো করা গেলে হাতিয়া দেশের অন্যতম পেঁপে উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।
একইসঙ্গে, মেহেরপুর জেলার উঁচু ভূমির কৃষকরা অতিবৃষ্টিতে দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কারণে সৃষ্ট বাজারের চাহিদা মেটাতে আগেভাগেই শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন, যেখানে ফুলকপি ও বাঁধাকপির মতো সবজি চাষ করে চাষীরা প্রতি বিঘা থেকে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন, কারণ মাঠের ফসল দ্রুতই (১০ দিনের মধ্যেই) বিক্রি শুরু হয়ে যাবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার হেক্টর জমিতে ধরা হয়েছে এবং কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে বিশেষত জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে উৎসাহিত করছে এবং উৎপাদিত সবজির জন্য বাজার তৈরির কাজও করছে।
পরিশেষে, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)-এর উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে বিনাধান ২৬-এর প্রচার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শস্যকর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বক্তারা বিনাধান ২৬-কে স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আমন জাত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা মাত্র ১২০ থেকে ১৩০ দিনের মধ্যে ফলন দিতে সক্ষম।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন