নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৭:১৫ পিএম
চলতি রোপা আমন মৌসুমে মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টি হলেও নোয়াখালীর বৃহত্তম উপজেলা হাতিয়ার মাঠে মাঠে সময়মতো জমি প্রস্তুত ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে শোভা পাচ্ছে পাকা আমন ধান। উচ্চ ফলনশীল এই ধানের বাম্পার ফলনে স্থানীয় কৃষকরা নতুন করে আশার আলো দেখছেন।
প্রায় চার মাস আবাদের পর সোনালী ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় থাকা কৃষকরা জানান, পলিযুক্ত মাটির কারণে ধানের রোগবালাইও কম হয়েছে, ফলে গত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে |
এবং প্রতি বিঘায় গতবারের চেয়ে প্রায় ১০ মণ বেশি ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, কৃষকরা অভিযোগ করেছেন যে এবছর বাজারে সারের সংকটের কারণে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হয়েছে|
যার ফলে তাদের ধান চাষে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। কৃষকরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে আগামীতে যেন সারের বরাদ্দ বাড়ানো হয় এবং সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়, যাতে অনাবাদী জমিও চাষের উপযোগী করা যায় এবং তারা আরও ভালো ফসল পান। এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন|
চলতি মৌসুমে আমন ধানের পাশাপাশি স্থানীয় জাতের ধানের উৎপাদনও বেশ ভালো হয়েছে। এ বছর হাতিয়া উপজেলায় ৭৭ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর বেশি, এবং প্রায় ৭৭ হাজার মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে স্থানীয় জাতের প্রায় ১০ হাজার হেক্টর এবং উন্নত ফলনশীল জাতের মধ্যে বিরিধান ৫২, ৮০, ৮৭ ও ৪৯ সহ অন্যান্য জাতের চাষ হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন