মে ৬, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
মানবদেহে পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও জেলায় জিংক সমৃদ্ধ ধানের সম্প্রসারণে শস্য ভেলু চেইনের অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের ইএসডিও`র প্রধান কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (IFPRI)-এর হারভেস্টপ্লাস প্রোগ্রামের `রিঅ্যাক্টস-ইন` প্রকল্পের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সদর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শাহিনুল কবির, ইএসডিও’র রিঅ্যাক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম এবং প্রজেক্ট অফিসার মো. আবু তালহা শিশির উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জেলার ধান-চাল ব্যবসায়ী, বীজ ব্যবসায়ী, মিলার ও কৃষকরাও এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় জানানো হয়, মানবদেহের প্রায় ৩০০ এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য জিংক অপরিহার্য। জিংকের ঘাটতির কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের দেহ গঠন ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে জিংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি উপাদান নিশ্চিত করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নির্দিষ্ট পরিমাণ জিংকের প্রয়োজন রয়েছে।বক্তারা বলেন, অধিকাংশ মানুষের জিংকের এই চাহিদা পূরণ হতে পারে জিংক সমৃদ্ধ ধানের চালের ভাত খাওয়ার মাধ্যমে। সভায় আমন মৌসুমের ব্রি ধান-৭২ ও বিনা ধান-২০ এবং বোরো মৌসুমের ব্রি ধান-৭৪, ৮৪, ১০০ ও ১০২ জাতের চাষাবাদ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে এসব জাতের বীজ বিক্রয়, ধান ক্রয় ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।জিংক সমৃদ্ধ ধানের সহজলভ্যতা বাড়লে এবং চালের চাহিদা তৈরি হলে এর উৎপাদন ও বিক্রিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন অংশগ্রহণকারীরা। মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের পাশাপাশি প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দিতে জিংক চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সভা শেষ হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন