জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
দিনাজপুরে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিডিএ) এর সহযোগিতায় কৃষি বিপণন দপ্তরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী ও তরুণ উদ্যোক্তারা ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচোর দ্বারা সার) উৎপাদন করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে ফেলছে।২৪ জুন বুধবার চিরিরবন্দর উপজেলার ৭নং আওলিয়াপুকুর ইউনিয়নের মোহাদানী গ্রামে গিয়ে দেখা যায় রূপনাথ রায়ের স্ত্রী স্মৃতি রায় মাটির গুড়ের চারিতে কেঁচো দ্বারা সার উৎপাদন করে পরিবার, সন্তানসহ সংসারের অর্থনৈতিক মুক্তি এনেছে।
স্মৃতি রায় বলেন সিডিএ’র সহযোগিতায় এবং কৃষি বিপণন দপ্তরে ১২দিন প্রশিক্ষণ নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু করি। গুড়ের খালি চারিগুলো ৩০ টাকা হিসেবে দুটি কিনে আনি এবং উৎপাদন শুরু করি এখন আমার ১৬টি চারিতে কেঁচো সার উৎপাদন করছি। সিডিএ’র সহযোগিতায় গঠন করা ভূমিহীন জনসংগঠন ইউনিটে গিয়ে সেই সার বিক্রি করে আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এসেছে এবং বর্তমানে আমাদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। এই টাকা দিয়ে আমি আমার ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করাচ্ছি। পরিবারের সদস্যরা এখন আমার সিদ্ধান্তের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
আমার সার এখন গ্রামের কৃষকরাও কিনে রাসায়নিক মুক্ত ফসল আবাদ করছে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তা মায়া রাণী, রূপালী রায় ও তরুণ উদ্যোক্তা মো. রাশেদ আলী জানায় ১২টি রিং এ এবং ৫টি হাউসে কেঁচো সার উৎপাদন করে প্রতিমাসে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করছি। চকমুসা জনসংগঠনের সদস্য তরুণ উদ্যোক্তা রাশেদ আলী আরো বলে সিডিএ আমাদের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে প্রশিক্ষণ এবং সার বিক্রির জন্য বাজারের ব্যবস্থা করেছে বলেন আমরা আজ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। চিরিরবন্দর উপজেলার সিডিএ’র সহযোগিতায় ২৭জন নারী ও ১২জন পুরুষ ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করেন নিজেদের ভাগ্যের চাকা বদলিয়ে ফেলেছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন