অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ০৭:৪৯ পিএম
অনুকূল আবহাওয়া এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে সুপারির বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার সুপারি এখন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে, এমনকি রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ৩ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে সুপারির চাষ হয়েছে এবং ফলন আশাতীতভাবে ভালো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে সুপারি আমদানি প্রায় বন্ধ থাকায় স্থানীয় সুপারির চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়েছে।
টেকনাফের বাহারছড়া এলাকার চাষি জাগের হোসেন বলেন, “এক কানি (৪০ শতক) জমিতে লাগানো ৪৫৮টি গাছে এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি গাছে ৪০০ থেকে ৫০০টি সুপারি ধরেছে। বাজারমূল্য ভালো থাকায় এই বাগান থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।”
জেলার সবচেয়ে বড় সুপারির বাজার বসে উখিয়ার সোনারপাড়া বাজারে। সপ্তাহের দুই দিন হাট বসার কথা থাকলেও, এখন প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকারদের ভিড়ে সরগরম থাকছে এই বাজার।
কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক বলেন, “এ বছর ঘূর্ণিঝড় না হওয়া এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় সুপারির ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি চাষিরা ভালো দামও পাচ্ছেন।” তিনি জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা এই সাফল্যের অন্যতম কারণ।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন