অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ০৬:১৮ পিএম
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এ বছর ৮৪ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ করা হয়েছে। উপজেলার চরঈশ্বর, চরকিং, বুড়িরচর ও তমরুদ্দিন সহ বিভিন্ন গ্রামে কৃষকরা এখন আখ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
চাষীরা জানিয়েছেন, অন্য ফসলের তুলনায় আখ চাষে ঝুঁকি কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় তারা এই আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। আখের সাথে সাথী ফসল হিসেবে লাল শাক, মুলা, টমেটো, ফুলকপি ও বাঁধাকপির মতো নানা জাতের সবজিও চাষ করা যায়, যা কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।
প্রতি একর জমিতে আখ চাষে এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ হলেও পাইকারি বাজারে প্রায় ৩ লাখ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আখ বিক্রি করা সম্ভব হয়।
রোগবালাই ও পানির ব্যবহার কম হওয়ায় এর উৎপাদন খরচও সাশ্রয়ী, বিশেষ করে যেসব জমিতে পানির অভাবে ধান ভালো হয় না, সেখানেও আখ চাষ সফল হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বাজারে আখের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে এবং কৃষকরা আখ চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে শাকসবজি আবাদ করতে পারায় লাভবান হচ্ছেন। এ বছর হাতিয়ায় ৯ হাজার মেট্রিক টন আখ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন