অক্টোবর ৩০, ২০২৫, ০৭:৩২ পিএম
সংবাদ প্রতিবেদন: সরকার নির্ধারিত মূল্যে মিলছে না সার, উল্টো বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। রাজবাড়ীর কৃষি নির্ভর উপজেলা কালুখালীতে সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরেও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
কৃষকরা বলছেন, সরকারি মূল্যে সার কিনতে গেলে ডিলাররা সরবরাহ সংকটের অজুহাত দিচ্ছেন, কিন্তু বেশি দাম দিলেই সেই সার পাওয়া যাচ্ছে। এই কৃত্রিম সংকটের কারণে চাষীদের সব ধরনের সারে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি গুনতে হচ্ছে, অথচ কেনার পর কোনো বিল বা ভাউচার দেওয়া হচ্ছে না।
একজন কৃষক জানান, যে ইউরিয়া সার ২০-২২ টাকা কেজিতে কেনার কথা, তা এখন ৩৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বাংলা ডিএপি সারের দাম ১৬০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫০০ টাকা হয়েছে। পেঁয়াজ আবাদের মৌসুমের শুরুতে সারের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা, সিন্ডিকেটের কারণে জমিতে পর্যাপ্ত সার দিতে না পারার অভিযোগ তাদের।
এদিকে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ কম হওয়ায় তাদের বাইরে থেকে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে, তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, বাইরে থেকে সার কিনে বেশি দামে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই এবং অন্য জেলা থেকে সার আনাও ডিলারদের জন্য অপরাধ। তিনি আরও জানান, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, কালুখালী উপজেলায় সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত সারের ডিলার রয়েছে ৩১ জন, যার ওপর এলাকার প্রায় ৭৫ শতাংশ কৃষি নির্ভর মানুষ নির্ভরশীল।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন