নভেম্বর ২, ২০২৫, ০৬:৪৪ পিএম
ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে মিশ্র চাষের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে ধানের ক্ষেতে একই সঙ্গে কলার চাষ একটি আধুনিক ও জনপ্রিয় পদ্ধতি হয়ে উঠেছে। এই পদ্ধতিতে একটি ফসল ঘরে তোলার কয়েক মাস পরেই আরেকটি অর্থকরী ফসল পাওয়া যায়, যা আবাদী জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও কমিয়ে আনছে।
কৃষকরা জানাচ্ছেন, বিঘা প্রতি প্রায় দশ হাজার টাকা খরচে ধান ও কলার এই মিশ্র চাষে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কমপক্ষে পঞ্চাশ হাজার টাকা লাভ আসতে পারে।
কলার ফলন আসতে সাত মাস সময় লাগলেও ধানের সাথে প্রথম তিন মাস একই পরিচর্যায় বেড়ে ওঠে, যার ফলে সার প্রয়োগ ও আগাছা নিধনের মতো কাজগুলো একটি খরচেই সম্পন্ন হয়ে যায়।
কৃষকদের মতে, ধান রোপণের আগে বা পরে কলার চারা লাগানো যায় এবং ধান কাটার পর কলার যত্ন নেওয়া হয়। একজন কৃষক জানান, তিনি গত পনেরো বছর ধরে ধানের ভেতরে কলার চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। কৃষি বিভাগও এই সাথী ফসল বা মিশ্র চাষের পরিধি বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কৃষকরা কলার সাথে বোরো ধানের আবাদ করেও উপকৃত হচ্ছেন। যদিও কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট আবাদী জমির পরিমাণ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দুইশত বত্রিশ হেক্টর, তবে ঠিক কত হেক্টর জমিতে মিশ্র ফসলের চাষ হচ্ছে, সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন