নভেম্বর ২, ২০২৫, ০৭:১৮ পিএম
বর্তমানে তরমুজের মৌসুম না হলেও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা অসময়ে তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। চন্ডিপাশা গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম প্রথমবারের মতো তার ৪০ শতাংশ জমিতে 'সুইট ব্ল্যাক টু' জাতের তরমুজ আবাদ করেছেন।
এই চাষে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা, আর তিনি আশা করছেন এই জমি থেকেই মোট ২ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন। তিনি জানান, এরই মধ্যে প্রথম ধাপে ৪০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন এবং দ্বিতীয় ধাপে আরও প্রায় এক লাখ বিশ হাজার টাকার ফলন বিক্রির আশা করছেন।
এই সফলতা দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন এবং ক্রেতারা সরাসরি ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এই চাষাবাদে লম্বা মাচা তৈরি করে মালচিং পেপার দিয়ে মাটি ঢেকে দেওয়া হয়, যার নিচে জৈব ও রাসায়নিক সার পরিমাণমতো দেওয়া থাকে। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এই পদ্ধতিতে গাছ সহজে মাটি থেকে খাবার গ্রহণ করতে পারে।
জুলাই মাসে চারা রোপণের পর মাত্র ৭০ দিনেই ফলন পাওয়া যায়। কৃষি বিভাগ বলছে, অন্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় এবং অসময়েও ফলের স্বাদ মিষ্টি থাকায় কৃষকরা এই তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ বছর কিশোরগঞ্জে প্রায় ছয় হেক্টর জমিতে অসময়ের তরমুজের আবাদ হয়েছে এবং কৃষি বিভাগ কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা ও নিয়মিত তদারকি করছে।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন