মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:১১ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর মানুষ নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির দিকে ছুটছেন। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়ে শহরের অনেক বাসাই এখন কয়েকদিনের জন্য একদম ফাঁকা হয়ে পড়ছে। তবে তাড়াহুড়ো করে বাসা ছাড়ার সময় অসতর্কতার কারণে অনেকেই ফিরে এসে চুরি দুর্ঘটনা বা যান্ত্রিক ত্রুটির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার সম্মুখীন হন।
তাই দীর্ঘ ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়ি ছাড়ার আগে অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নেওয়া উচিত যা ঈদের আনন্দকে ম্লান হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
বাসার প্রধান ফটকে তালা দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ঘরের জানালা এবং বারান্দার দরজাগুলো ঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা তা বারবার পরীক্ষা করা প্রয়োজন। খোলা জানালা দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করে ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করতে পারে অথবা দুষ্কৃতকারীদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে।
একইভাবে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াতে লাইট ফ্যান টেলিভিশন এবং এসিসহ অপ্রয়োজনীয় সব যন্ত্রের সুইচ বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে বৈদ্যুতিক প্লাগগুলো সকেট থেকে খুলে রাখা ভালো এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি যেমন কমে তেমনি বিদ্যুৎ বিলও সাশ্রয় হয়। রান্নাঘরের গ্যাসের চুলা এবং সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করাও একটি অপরিহার্য কাজ কারণ সামান্য গ্যাস লিকেজ থেকে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
পানির ট্যাপগুলো পুরোপুরি বন্ধ আছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত যাতে দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে অপচয় বা মেঝেতে পানি জমে কোনো ক্ষতি না হয়। এছাড়া ফ্রিজে থাকা পচনশীল খাবারগুলো আগেভাগেই সরিয়ে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ অন্যথায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যেতে পারে। স্বর্ণালংকার নগদ টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র বাসার আলমারিতে না রেখে ব্যাংকের লকার বা কোনো বিশ্বস্ত আত্মীয়ের হেফাজতে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প। সবশেষে বাসার নিরাপত্তাকর্মী বা প্রতিবেশীকে জানিয়ে যাওয়া উচিত যাতে আপনার অনুপস্থিতিতে তারা বাসার ওপর নজর রাখতে পারেন। এই সহজ সর্তকতাগুলো মেনে চললে নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন