শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

দিনাজপুরে নব-নির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর আলমকে ‍‍`বাশিস‍‍`-এর সংবর্ধনা

মো: মামুনুর রশিদ

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০১:০০ পিএম

দিনাজপুরে নব-নির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর আলমকে ‍‍`বাশিস‍‍`-এর সংবর্ধনা

নবনির্বাচিত এমপিকে শুভেচ্ছা:দিনাজপুর

দিনাজপুর সদর ৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও তিনবারের জনপ্রিয় সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। শনিবার সকালে দিনাজপুর পৌরসভার বড়বন্দর জেলা শাখার পক্ষ থেকে এই ফুলেল শুভেচ্ছার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের নেতৃত্বে ছিলেন দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং বাশিস জেলা কমিটির সভাপতি মো. নেজামুল ইসলাম। 

তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের নিজ বাসভবনের সামনে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। 

এ সময় শিক্ষকরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং আগামী দিনে এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বলেন যে তিনি সবসময় শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান দিয়ে আসছেন। 

তার মতে শিক্ষকরা হলেন আদর্শ মানুষ গড়ার আসল কারিগর যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই আজকের তরুণ প্রজন্ম আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে। তিনি আরও যোগ করেন যে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি অতীতেও শিক্ষকদের যেকোনো সমস্যায় পাশে ছিলেন এবং আগামী দিনেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আক্তারুল ইসলাম রাঙা এবং ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মো. শাহ আলমসহ অন্যান্য সাধারণ শিক্ষকরা। 

উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের এই বিশাল বিজয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং আশা করেন যে তিনি দিনাজপুরের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখবেন। জনতার মেয়র থেকে এখন জনতার এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাও তাকে নিয়ে অনেক বেড়েছে বলে সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন। শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেন যে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে এবং শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় তিনি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হবেন। পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে যা এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক সৌহার্দ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।