বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ছাত্রদলের আয়োজনে হাবিপ্রবিতে বিশাল গণইফতার

মোঃ রাহাত হোসেন

মার্চ ৪, ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম

ছাত্রদলের আয়োজনে হাবিপ্রবিতে বিশাল গণইফতার

হাবিপ্রবিতে বিশাল গণইফতার।ছবি-দিনাজপুর টিভি

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল গণইফতার। পবিত্র রমজান উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর হোসেন হল মাঠে হাবিপ্রবি ছাত্রদলের উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিলটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয় যা ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

এই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম শিকদার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর কবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু হাসানসহ বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনের এমন অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে বিশেষ মর্যাদা দান করে।ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা বলেন যে এত বিশাল পরিসরে শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারের আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই। 

ছাত্র সংগঠনগুলোর এ ধরনের শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করে। ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর কবির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ইতিবাচক এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংগঠনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি করে। তিনি নতুন সরকারের অধীনে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।আয়োজক সংগঠন হাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক পলাশ বার্নাড দাস জানান যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই তাদের এই নিরন্তর প্রচেষ্টা। 

তারা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবেন। এই ইফতারে শুধুমাত্র মুসলিম শিক্ষার্থীরাই নন বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধর্মের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন যা ক্যাম্পাসের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অন্যতম বড় গণইফতার হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্যচেতনা জাগ্রত করতে সহায়ক হয়। মাঠজুড়ে সারি সারি বসে হাজারো শিক্ষার্থীর একসঙ্গে ইফতার করার দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত মনোরম। আয়োজক কমিটি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে।