রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে জ্বালানি সংকট তেল না পেয়ে বিপাকে মানুষ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ২৪, ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

দিনাজপুরে জ্বালানি সংকট তেল না পেয়ে বিপাকে মানুষ

পাম্পে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি -ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এক পাম্পে তেল না পেয়ে চালকরা ছুটছেন অন্য পাম্পের খোঁজে। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় শহরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে দিনভর ভিড় করতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের। 

পেট্রোল ও অকটেনের এই সংকট প্রকট হওয়ায় অনেক জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে। 

কোনো কোনো স্টেশনে মোটরসাইকেল প্রতি সর্বোচ্চ দুই লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তা সত্ত্বেও মঙ্গলবার ভোর থেকে শহরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটন না থাকায় সরবরাহ বন্ধ রাখতে দেখা যায়। 

এতে বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা যানবাহন চালকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর কিছু পাম্পে সীমিত আকারে তেল বিক্রি শুরু হলেও চাহিদার তুলনায় তা ছিল অতি সামান্য।ভুক্তভোগী চালকরা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো জ্বালানি মিলছে না। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেলের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এর ফলে স্টেশনে থাকা মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। 

অন্যদিকে, পার্বতীপুর ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।দিনাজপুর পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান শাহীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি তেলবাহী ট্যাংক লরির ধারণক্ষমতা ৯ হাজার লিটার হলেও পার্বতীপুর ডিপো থেকে বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার লিটার করে তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনায় একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দ্রুত তেলের বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক গ্রুপ।