রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন ১৪, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

দিনাজপুরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্ত কেন্দ্র দিনাজপুরের সার্বিক সহযোগিতায় এবং জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের যৌথ আয়োজনে আজ রোববার ১৪ জুন এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত আধুনিক ব্লাড ব্যাংকের রুমে আয়োজিত এই মানবিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যানকারী আইনজীবী মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা রক্তদান কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সরকারের সুদূরপ্রসারী স্বাস্থ্য ভাবনার ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধান অতিথি বলেন যে বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া। কেউ যেন তাঁর মৌলিক স্বাস্থ্য অধিকার থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয় সেই লক্ষ্যে রক্তদানের মতো অত্যন্ত মানবিক কর্মসূচিগুলোকে সামাজিক স্তরে আরও বেগবান করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন চিকিৎসক মো. আসিফ ফেরদৌস। 

তিনি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে অপারেশন থিয়েটার, বড় সড়ক দুর্ঘটনা এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী বা জটিল রোগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসায় সময়মতো রক্ত সঞ্চালন করা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।আমরা যদি নিজেরা সচেতন হয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে না আসি এবং অন্যদের এই মহৎ কাজে উদ্বুদ্ধ না করি তবে জরুরি মুহূর্তে মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষা করা একটি হয়ে দাঁড়াবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সুস্থ মানুষের প্রতি চার মাস পর পর নিয়মিত রক্ত দিলে শরীরে কোনো ধরনের ক্ষতি হয় না উল্লেখ করে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তির উদাহরণ দেন যিনি ইতিমধ্যে ৪৩ বার সফলভাবে রক্ত দান করে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক মো. সিরাজুল ইসলাম, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. নূর আলম, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কর্মকর্তা খন্দকার সাইফুল ইসলাম, ল্যাব ইনচার্জ বিশ্বজিৎ কুমার রায় এবং উপ-যুব প্রধান মো. মেহেদী হাসানসহ যুব রেড ক্রিসেন্টের একঝাঁক তরুণ সদস্য।