রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বীরগঞ্জে মৌসুমি ফলের সমারোহ ও বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

মোঃ আরিফ ইসলাম

জুন ১৭, ২০২৬, ০২:১২ পিএম

বীরগঞ্জে মৌসুমি ফলের সমারোহ ও বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

ছবি-দিনাজপুর টিভি

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ ও প্রচণ্ড গরমের কারণে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন রসালো ও সুস্বাদু মৌসুমি ফলের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, লটকন, জামরুল, পেয়ারা ও ড্রাগন ফলসহ নানা জাতের দেশীয় ফলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। বুধবার সকালে বীরগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান বাজারগুলোতে গিয়ে ফল কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে।

গরমের দিনে সুস্থ থাকতে মানুষ পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ফল বেশি কেনায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাজারে ভিড় লেগেই থাকছে।মৌসুমি ফলের এই পর্যাপ্ত সরবরাহ স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতেও বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কিলোগ্রাম লটকন ১৪০ টাকা, পেয়ারা ১২০ টাকা, ড্রাগন ফল ১২০ টাকা এবং কালো জাম ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি জামরুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং জাতভেদে বিভিন্ন প্রকার আম ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বেচাকেনা হতে দেখা গেছে। 

লিচুর বাজারে বোম্বাই জাতের প্রতি ১০০ লিচু ৪০০ টাকা এবং সুখ্যাত চায়না-তিন জাতের লিচু প্রতি হাজার ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে বড় সাইজের একেকটি কাঁঠাল ও মধুপুরের মিষ্টি আনারস প্রতি পিস প্রায় ৭০ টাকা বা তার চেয়েও কিছু বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।বাজারে বিশেষ করে হারিভাঙ্গা ও ল্যাংড়া জাতের আমের চাহিদা ক্রেতাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। 

ফল ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান ও রফিকুল ইসলাম জানান, মধুমাস এলেই বাজারে বেচাকেনা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং এবার ফলের মান ও সরবরাহ দুটিই ভালো থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই সন্তুষ্ট। আলমগীর হোসেন নামের এক স্থানীয় ক্রেতা জানান, গ্রীষ্মকালীন ফল শুধু সুস্বাদুই নয় বরং ভিটামিন ও পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় পরিবারের শিশুদের জন্য তিনি নিয়মিত আম ও লিচু কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। রসালো ফলের মিষ্টি সুবাসে বীরগঞ্জের বাজারগুলো এখন উৎসবমুখর ও প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে।