রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

২০২৬ সালের ব্যাংকের ছুটির তালিকা প্রকাশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৭:০২ পিএম

২০২৬ সালের ব্যাংকের ছুটির তালিকা প্রকাশ

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালের জন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোর ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে আগামী বছর মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা জানানো হয়েছে। এই তালিকা অর্থবাজারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রোববার ষোলোই নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তালিকাটি সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এই প্রজ্ঞাপনটি কার্যকর হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চলতি মাসের নয় তারিখের একটি প্রজ্ঞাপনের আলোকে। তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০২৬ সালে ব্যাংক ছুটির সংখ্যা বেড়েছে; যেখানে ২০২৪ সালে ছুটি ছিল ২৪ দিন এবং ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৭ দিনে।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম ছুটি থাকবে ৪ ফেব্রুয়ারি শবে-বরাত উপলক্ষে। একই মাসে ২১ ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরপর শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে। দীর্ঘমেয়াদি ছুটির মধ্যে রয়েছে উনিশ থেকে তেইশ মার্চ পর্যন্ত জুমাতুল বিদা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিনের ছুটি, যার মধ্যে দুটি দিন সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ২৬ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

এরপরে রয়েছে ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, তবে এটি শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, এবং ১ মে মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার ছুটি একই দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে।বছরটির দ্বিতীয় দীর্ঘ ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে, যা ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ছয় দিন থাকবে, যার মধ্যে দুটি দিন সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় পড়েছে। এরপরে ২৬ জুন আশুরা এবং ১ জুলাই ব্যাংক হলিডে উপলক্ষে পুরো দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা, এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বছরের শেষে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে হিসেবে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই তালিকা প্রকাশের ফলে গ্রাহকরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেনগুলো সময়মতো শেষ করতে পারবেন এবং ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারবেন। মূলত বড় ধর্মীয় উৎসব এবং জাতীয় দিবসগুলোকে গুরুত্ব দিয়েই এই ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।