রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা ১২ শতাংশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ৩১, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা ১২ শতাংশ

ছবি : সংগৃহীত

নীতিগত সংস্কার, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্পের সক্ষমতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তিনশো পঁচাত্তর বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক কৃত্রিম তন্তু বা এমএমএফ পোশাক বাজারের বারো শতাংশ দখল করতে পারে বাংলাদেশ। তৈরি পোশাক রপ্তানিতে তুলার ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে এই রূপরেখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ব পোশাকশিল্প দ্রুত তুলাভিত্তিক পণ্য থেকে কৃত্রিম তন্তু বা এমএমএফভিত্তিক পোশাকের দিকে ঝুঁকছে। এই পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদারের একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি কৌশলের অংশ হিসেবে এই বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশীদারত্ব অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ জানান, বাংলাদেশের জন্য এই পরিবর্তনের সুযোগ হাতছাড়া করার কোনো অবকাশ নেই।

বৈশ্বিক এমএমএফ বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে পারলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং দেশের পোশাকশিল্পের দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। গবেষণায় বাংলাদেশকে এমএমএফ পোশাক উৎপাদনের একটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। এতে ধাপে ধাপে নীতিগত সংস্কার, প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের বিকাশ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এমএমএফ কাঁচামালের শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করা, বিদেশি বিনিয়োগ অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে এলডিসি-পরবর্তী বাণিজ্য পরিবেশে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে এই খাতের সম্প্রসারণ এখন অর্থনৈতিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।