রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ঢাবির হলে ব্যানার টানানো কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সমর্থকদের হাতাহাতি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ৬, ২০২৬, ১২:৪৪ এএম

ঢাবির হলে ব্যানার টানানো কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সমর্থকদের হাতাহাতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানো ও ছিঁড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবির সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হলের প্রধান ফটক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সোমবার হল সংসদের পক্ষ থেকে একটি ব্যানার টানানো হয়। শাহবাগে হলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাসের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই ব্যানার টানানো হয়েছিল। এতে মুহসীন হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে অভিযুক্ত করে তার ছবি ও হামলার কিছু দৃশ্য যুক্ত করা হয়।

পরদিন মঙ্গলবার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেললে হল সংসদের সদস্যরা সেটি আবার টানিয়ে দেন। এভাবে কয়েকবার ব্যানার টানানো ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। সবশেষ তৃতীয়বার ব্যানার অপসারণ করতে গেলে হল সংসদের নেতাকর্মীরা বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় এবং একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়।

এই ঘটনায় আহত হওয়ার দাবি করেছেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সালমান খান। তার অভিযোগ, ব্যানার রক্ষার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তাকে মাথায় ও হাতে আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত হন। তবে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা শাহজালাল বারীর সঙ্গে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেন হল সংসদের নেতারা। সেখানে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) রিফাদ হাসান সাফওয়ান বলেন, শাহবাগে হামলার বিচার না হওয়ায় আমরা প্রতিবাদস্বরূপ ব্যানার টানিয়েছি। কিন্তু ছাত্রদল বারবার সেটি ছিঁড়ে ফেলছে। হামলার বিচার ও জড়িতদের শাস্তি না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব।

হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ছাদিক হোসেন সিকদার বলেন, তিনবার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার পর আমরা বাধা দিলে আমাদের কর্মীর ওপর হামলা করা হয়। আমরা এর বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

হল সংসদের নেতাদের অভিযোগ, ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা ক্যাম্পাসে আবারও সহিংস রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়।সার্বিক বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।