এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
দক্ষিণী সিনেমার ইতিহাসে থালাপতি বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণান জুটি সবসময়ই দর্শকদের কাছে বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত `ঘিল্লি` ছবির মাধ্যমে এই জুটির রসায়ন প্রথমবার পর্দায় ঝড় তোলে। এরপর `তিরুপাচ্চি` ও `আথি`র মতো বেশ কিছু ব্যবসা সফল ছবিতে তাঁদের একত্রে দেখা গেলেও হঠাৎ করেই দৃশ্যপট বদলে যায়।
দীর্ঘ ১৫ বছর এই জনপ্রিয় জুটিকে আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যায়নি। সম্প্রতি ব্লকবাস্টার সিনেমা `লিও`-র মাধ্যমে তাঁদের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটলেও কেন এই দীর্ঘ বিরতি ছিল, তা নিয়ে ভক্তদের মনে কৌতূহলের শেষ নেই।
ভারতীয় গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই বিরতির পেছনে রয়েছে পর্দার বাইরের ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন। ২০০৮ সালে `কুরুভি` সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই বিজয় ও তৃষার মধ্যে পেশাদার দূরত্ব তৈরি হয়। শোনা যায়, `ঘিল্লি` সিনেমার শুটিং চলাকালীন সময়েই এই দুই তারকার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় যা এক সময় প্রেমের গুঞ্জনে রূপ নেয়।
এই সম্পর্কের খবর বিজয়ের পারিবারিক পর্যায়ে পৌঁছালে সেখানে অস্থিরতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে অভিনেতা বিজয়ের পরিবার থেকে তাঁকে তৃষার সঙ্গে কাজ না করার জন্য কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন রয়েছে। পরিবারের শান্তি বজায় রাখতেই বিজয় দীর্ঘ সময় তৃষার সঙ্গে অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন বলে মনে করা হয়।তবে ২০২৩ সালে `লিও` ছবির মাধ্যমে ভক্তরা তাঁদের প্রিয় জুটিকে ফিরে পেলেও সেটি নতুন এক বিতর্কের জন্ম দেয়। বিজয়ের জন্মদিনে তৃষার শেয়ার করা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নেটিজেনদের মনে নতুন করে সন্দেহের দানা বাঁধে। সেই পোস্টে তৃষা বিজয়ের সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ সেলফি শেয়ার করে ক্যাপশনে ঝড়ের মধ্যেও শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন।
এছাড়া ২০২৪ সালের শেষ দিকে অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিজয় ও তৃষাকে একত্রে গোয়া ভ্রমণ করতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, প্রযোজক কালপাথি অঘোরামের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তাঁদের একত্রে উপস্থিতি বিজয়ের বর্তমান দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরার গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে। বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতার সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের আলোচনার মধ্যেই তৃষার সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠতা দক্ষিণী সিনে-ইন্ডাস্ট্রিতে এখন প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন