নভেম্বর ৪, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
গভীর প্রেম, তীব্র অনুভূতি আর প্রিয়জনকে সব কষ্ট থেকে আগলে রাখার এক আবেগময় ভালোবাসার গান `বর্ষা চোখ`।
বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও গীতিকার তারেক আনন্দের যৌথ সৃষ্টির এই রোমান্টিক এককটি ডিজিটাল যুগে এসে নতুন এক অর্জনের মুখোমুখি হয়েছে। ইন্টারনেট মাধ্যমে গানটির অডিও ও ভিডিও ভিউ ৫ কোটির ঘর ছাড়িয়ে গেছে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ৫ কোটি ভিউ ছাড়ানোর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে গানটির দীর্ঘস্থায়ী আবেদনের বিষয়টি নতুন করে প্রকাশ পেল।
২০১৫ সালে সংগীত প্রযোজনা সংস্থা সংগীতা থেকে প্রকাশিত হয় ইমরান মাহমুদুলের একক অ্যালবাম `বলতে বলতে চলতে চলতে`। সেই অ্যালবামের সাত নম্বর গান হিসেবে যুক্ত হয়েছিল `বর্ষা চোখ`। অ্যালবাম প্রকাশের পর থেকেই লাকি সেভেন হিসেবে স্থান পাওয়া এই ট্র্যাকটি শ্রোতাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে উঠে আসে।
সংবাদকর্মী ও গীতিকার তারেক আনন্দের কথায় গানটিতে সুর ও সংগীতায়োজন করার পাশাপাশি কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান মাহমুদুল।
গানটিতে মূলত ভালোবাসার মানুষটির চোখে জল বা বিষাদ দেখতে না চাওয়ার আকুলতা এবং প্রিয়জনকে সবসময় আনন্দে রাখার সুন্দর অঙ্গীকার ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কথার ভাব ও সুরের চমৎকার মেলবন্ধন শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছিল।
মাইলফলক অর্জনের বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে গীতিকার তারেক আনন্দ জানান, অ্যালবাম তৈরির একদম শেষ মুহূর্তে তার কাছে গানটি লেখার প্রস্তাব আসে। তিনি দ্রুততম সময়ে কথা লিখে ইমরানের কাছে পাঠান। পরের দিন সকালেই পুরো ট্র্যাকের কাজ শেষ করে ফেলেন ইমরান।
প্রথমবার তৈরি হওয়া গানটি শোনার পর নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক আনন্দ বলেন, গানটি শোনার পর তার চোখের কোণে জল চলে এসেছিল এবং তার মনে হয়েছিল এই গান সারাদেশের মানুষ শুনবে। প্রকাশের পর ঠিক তা-ই ঘটেছে। একজন গীতিকবি হিসেবে যখন কোনো ভালো কবিতা অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, তখন তা পরম তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে শিল্পী ও সুরকার ইমরান মাহমুদুল জানান, রোমান্টিক কথার উপযোগী করে একটি সহজ ও সুন্দর সুর উপহার দেওয়ার চেষ্টা ছিল তার। শ্রোতারা গানটি এত ভালোবাসায় গ্রহণ করেছেন এবং পাঁচ কোটি ভিউ এনে দিয়েছেন—এটাই তার সবচেয়ে বড় ভালো লাগা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন