রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মসজিদের খতিব অপহরণের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ০৬:০৪ পিএম

মসজিদের খতিব অপহরণের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

ছবি - সংগৃহীত

টঙ্গীতে মসজিদের খতিবকে অপহরণ, দেশব্যাপী নারী নিপীড়ন এবং ‘উগ্র হিন্দুত্ববাদী তৎপরতা’র অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বটতলায় এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ইসকনকে নিষিদ্ধ করার জোর দাবি জানান।

মিছিল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা ‘স্বৈরাচারের সঙ্গী, ইসকন তুই জঙ্গি’ এবং ‘ইসকনের কালহাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ও ‘ব্যান ব্যান ইসকন’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা ইসকনের কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করেন এবং দ্রুত এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলেন। সমাবেশে জাকসুর পরিবেশ সম্পাদক ও শাখা শিবির স্কিল ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শাফায়েত মীর অভিযোগ করেন, ইসকন ‘লাভ ট্র্যাপে’ ফেলে নারীদের ধর্ষণ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের রক্ত গরম, কিন্তু আমরা মাথা ঠান্ডা রেখেছি।

যদি দেয়ালে ঠেকে যায় তাহলে আমাদের মাথা গরম হয়ে যাবে।’ তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাদের যেন আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য করা না হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ইসকন এ দেশে বসে ‘হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকারের এজেন্ডা’ বাস্তবায়ন করতে চাইছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সমাবেশে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সিফাতুল্লাহ বলেন, ‘চট্টগ্রামে উগ্রবাদী ইসকনের হামলায় নিহত সাইফুল আমার ভাই, বুয়েটে শ্রীশান্তের নেশার ঘোরে ধর্ষণ করা মেয়েটি আমাদের বোন। আমরাই সেসব ইমাম-খতিব যাদের ইসকন গুম করে ভারতীয় বর্ডারে ফেলে এসেছে।’ তিনি দাবি করেন, ইসকনকে এখনই থামানো না গেলে ভবিষ্যতে তারা ঘোষণা দিয়েই ইমাম-খতিবদের গুম করবে।

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আধিপত্যবাদ বিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক আনজুম শাহরিয়ার বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ করা হচ্ছে, যারা ঈমানের শিক্ষা দেয় সেই ইমামদের গুম করা হচ্ছে। অথচ পুলিশ ধর্ষিতাকে দোষী সাব্যস্ত করে বিবৃতি দিচ্ছে।’ তিনি গত বছর ইসকনের হামলায় সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার বিচার না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।