নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৬:০৭ পিএম
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের অবস্থান (লোকেশনের তথ্য) শেয়ার না করলেও বার্তাগুলোর মধ্যে লুকানো জিপিএসের মাধ্যমে ব্যাক্তির অবস্থানের ডেটা প্রকাশ হয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্তকারী এলর্ম ড্যানিয়েল।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।এলর্ম ড্যানিয়েল তার পোস্টে (সাবেক টুইটার এক্স-এ দেওয়া) জানিয়েছেন,
তিনি তার পরিচিত একজন বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাগুলোর ফরেনসিক পর্যালোচনার করে দেখেন, ডিভাইসটি বার্তাটি পাঠানোর সময় প্রেরকের সঠিক অবস্থান বের করতে পেরেছিল।
তিনি দাবি করেছেন, যদি কোনো স্মার্টফোন ফরেনসিক ইমেজিং করা হয়, তবে তৃতীয় পক্ষ প্রাপকের ডিভাইস থেকে প্রেরকের অবস্থান পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদি কথোপকথনের সময় অবস্থান পরিষেবাগুলি (লোকেশনের অপশন) সক্ষম করা থাকে।মেটাডেটার ভূমিকা: কোনো ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অবস্থানের তথ্য শেয়ার না করলেও, বার্তার মেটাডেটাতে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়ে যায় যা দিয়ে অবস্থান নির্ণয় করা যায়। ফোনে সংরক্ষিত মিডিয়া ফাইলগুলিতে (ছবি, ভিডিও, স্ক্রিনশট এবং ভয়েস রেকর্ডিং) সুনির্দিষ্ট জিপিএস স্থানাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দিয়ে ফাইলটি কখন এবং কোথায় তৈরি হয়েছিল, তা জানা সম্ভব।
যদিও হোয়াটসঅ্যাপের এআই সহায়তা পরিষেবার পক্ষ থেকে একটি প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে:হোয়াটসঅ্যাপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত করে যে অবস্থানের ডেটা সহ বার্তাগুলি এনক্রিপ্ট করা হয়েছে এবং কেবল প্রেরক এবং তার ইচ্ছায় প্রাপক অ্যাক্সেস করতে পারে।"তবে, তারা ফরেনসিক মামলার প্রেক্ষাপটে স্বীকার করেছে যে, ডিভাইস-স্তরের মেটাডেটা, যেমন অবস্থানের ডেটা, কোনো ডিভাইস থেকে বা ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাকআপ থেকে বের করা যেতে পারে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন