সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ভূমিকম্পে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনগুলো, জেনে নিন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৬:৫৭ পিএম

ভূমিকম্পে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনগুলো, জেনে নিন

নিয়মিত ভূমিকম্পের খবরে বিশ্বের যে দেশগুলো বর্তমানে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের হিসাবে।

যে দেশগুলো প্রধান ভূমিকম্পের ফল্ট-লাইন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত, সেগুলোতে প্রাকৃতিকভাবে ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম।

কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে:

চাদ

নাইজার

বাহামা

আইভরি কোস্ট

বুরকিনা ফাসো

 

ফিনল্যান্ড

ডেনমার্ক

লাটভিয়া

আয়ারল্যান্ড

উরুগুয়ে

ভূমিকম্পে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এই দেশগুলোর মধ্যে একটি হলো বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে যেতে বাংলাদেশের নাগরিকদের কোনো ভিসা লাগে না। পাসপোর্ট ইনডেক্সের তথ্যমতে, বাংলাদেশিরা বর্তমানে ভিসা ছাড়াই বাহামায় পর্যটক হিসেবে তিন মাস বা কিছু ক্ষেত্রে আট মাস পর্যন্ত থাকতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ভিসা নিয়ন্ত্রণ চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বাহামিয়ান ভিসার প্রয়োজনীয়তা মওকুফ করা হয়েছে।

বাহামা ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত। দেশটির নিকটতম প্রধান ফল্ট লাইন—উত্তর আমেরিকান ও ক্যারিবীয় টেকটোনিক প্লেটের সীমান্ত—প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যদিও ওই ফল্ট লাইন ক্যারিবীয় অন্যান্য দেশে ভূমিকম্প সৃষ্টি করলে তার প্রভাব কিছু ক্ষেত্রে বাহামাতেও অনুভূত হতে পারে। তবে এই দেশে ভূমিকম্প খুবই বিরল।

চাদ ও নাইজার: এই দেশগুলো সবচেয়ে কাছের ফল্ট লাইন আফ্রিকা ও আরবীয় প্লেট সীমান্ত থেকে প্রায় ২,১০০ কিলোমিটার দূরে। তবে এখানে বন্যা, খরা ও দাবানলের মতো প্রাকৃতিক বিপদের ঝুঁকি রয়েছে।ফিনল্যান্ড: উত্তর ইউরোপের এই দেশটির সবচেয়ে কাছের ফল্ট লাইনও ২,১০০ কিলোমিটার দূরে। তবে খনন বা বিস্ফোরণের কারণে মাঝেমধ্যে মানবসৃষ্ট ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ফিনল্যান্ডে বন্যা-দাবানলের মতো অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যাও বেশ কম।

ডেনমার্ক: উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের এই দেশটি আফ্রিকান-ইউরেশিয়ান প্লেট সীমান্ত থেকে প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার দূরে। এখানে খুব কম ভূমিকম্প হয়, হলেও মাত্রা থাকে কম।

লাটভিয়া ও আয়ারল্যান্ড: প্রধান ফল্ট লাইন থেকে দূরে থাকায় এই দেশগুলোতে ভূমিকম্পের ঝুঁকিও কম।

উরুগুয়ে: দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে ভূমিকম্প বিরল হলেও উপকূলবর্তী অবস্থানের কারণে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।