মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান আরও জোরদার এবং দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে রিয়াদ সরাসরি এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে কি না, সেই বিষয়টিও বর্তমানে দেশটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে সৌদি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
সৌদি যুবরাজ বর্তমান এই সামরিক পরিস্থিতিকে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছেন। রিয়াদের পক্ষ থেকে শুধু সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধই করা হয়নি, বরং হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও গত চার সপ্তাহ ধরে চলমান এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের সরাসরি কোনো সামরিক অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে এই সংকট নিরসনে একটি কূটনৈতিক সমাধান বা শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
যদি পাকিস্তানের নেতৃত্বে চলমান এই শান্তি প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে সৌদি আরব সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত হতে পারে বলে জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে সৌদি আরবের এই অবস্থান নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। রিয়াদ মূলত মার্কিন-ইসরায়েলি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করতে চাইছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই আহ্বানে শেষ পর্যন্ত কী ধরনের সাড়া দেওয়া হয়, তার ওপরই এখন বিশ্ববাসীর নজর।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন