বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬,

আমাকে থামাতে হলে প্রাণ কেড়ে নিতে হবে: মমতা ব্যানার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৪, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

আমাকে থামাতে হলে প্রাণ কেড়ে নিতে হবে: মমতা ব্যানার্জি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে তীব্র সংকট ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। দলের বিশাল অংশের বিধায়ক ও সাংসদ আলাদা উপদল গঠন করলেও নিজের চেনা লড়াকু মেজাজে অটল রয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। দলের ‘আসল’ মালিকানা ও প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান তীব্র দ্বন্দ্বে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁকে স্তব্ধ করতে হলে প্রাণ কেড়ে নিতে হবে।বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মমতা সাফ জানিয়েছেন, দলীয় প্রতীক ‘ঘাসফুল’ তাঁর অনুগত শিবিরের কাছেই থাকবে।

মমতা ব্যানার্জি দলীয় বিদ্রোহীদের সরাসরি ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, দলের প্রতীক পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই এবং এটি ধরে রাখতে প্রয়োজনে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে নামতে তিনি প্রস্তুত। এদিকে, শনিবার দলের রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগ তৃণমূল শিবিরে বড় ধাক্কা হিসেবে এসেছে। চন্দ্রিমা এখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী উপদলে যোগ দিয়েছেন।

মমতা ব্যানার্জি জানান, কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপের মুখে পড়েই অনেকে দল ছাড়ছেন, তবে তিনি কোনো অবস্থাতেই মাথা নত করবেন না। বিদ্রোহী শিবিরের পক্ষ থেকে তাঁকে দলের ‘উপদেষ্টা’ হওয়ার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন মমতা। তিনি ঘোষণা করেছেন, এখন থেকে তাঁর নিজের কালীঘাটের বাড়িই হবে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়।

তৃণমূলের এই ভাঙনের পেছনে দলের ভেতরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অভিষেক ব্যানার্জির ভূমিকা নিয়ে তৈরি হওয়া অসন্তোষকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষকে আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।