তানভীর হাসান তানু
অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
ছবি: দিনাজপুর টিভি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো প্রয়োজনীয়তা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে এই উপনির্বাচনে তিন গুণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে নিয়োজিত থাকবেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন কমিশনার জানান, এলাকায় এখন পর্যন্ত ভোটের চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা থাকবে এবং পর্যাপ্তসংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে এই উপনির্বাচনে আলাদা করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
এর আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক রাখা, নির্বাচনী আচরণবিধির কঠোর প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে বিষয়ে সভায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
সভায় উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত তৎপরতা জোরদার করার ওপর দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।