নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১১:৪৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে দীর্ঘতম সরকারি অচলাবস্থা বা শাটডাউনের কারণে কার্যত থমকে গেছে সরকারি কার্যক্রম, যার বড় ধাক্কা লেগেছে দেশের বিমান চলাচলে। কর্মী সংকট এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ নভেম্বর) থেকে ৪০টি প্রধান বিমানবন্দরে ফ্লাইট ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।শনিবার (০৭ নভেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ৩৫ দিনের যে শাটডাউন হয়েছিল, এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বর্তমান অচলাবস্থা। বেতনহীন অবস্থায় কাজ করে যাচ্ছেন প্রায় ১৩ হাজার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং ৫০ হাজার নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং বেড়েছে ফ্লাইট বিলম্ব ও বাতিলের হার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার থেকে ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি।
এফএএ প্রধান ব্রায়ান বেডফোর্ড বলেন, কন্ট্রোলারদের ক্লান্তি ও আর্থিক চাপ আকাশপথের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই ধাপে ধাপে ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে— যা এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ শতাংশে পৌঁছাবে। এতে প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার ফ্লাইট বাতিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিমান সংস্থাগুলো। নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ডালাসের মতো ব্যস্ততম বিমানবন্দরও এর আওতায় আসবে।
সরকারি অচলাবস্থার প্রভাবে শেয়ারবাজার থেকে বিমান চলাচল—সব ক্ষেত্রেই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কংগ্রেসকে দ্রুত শাটডাউন সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডেমোক্র্যাটদের ‘উগ্রপন্থি পাগল’ বলে আখ্যা দেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন