রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি ঈদের দিন খোঁজ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২, ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি ঈদের দিন খোঁজ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সকালে তনু হত্যা মামলার অগ্রগতির খোঁজ নিয়েছেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শনিবার (২ মে) রাজধানীর মহাখালীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ১০ বছর পর এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পদ্ধতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং উক্ত প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসনের কার্যকর উপায় চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে একটি খুদে বার্তা বা এসএমএস পাঠান। সেখানে একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তনু হত্যা মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রী জানান, ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসেই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। ইতিমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও তিনি তথ্য প্রদান করেন। তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে যেসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় গত দুই মাসেই তার অনেকগুলো এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মামলার অন্যান্য আইনগত দিক নিয়ে সরকারের অবস্থান দ্রুতই স্পষ্ট করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় পাওয়ার হাউস সংলগ্ন ঝোপ থেকে কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর তাঁর লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের তৎকালীন অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।