রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শেখ হাসিনাসহ ২৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ৪, ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম

শেখ হাসিনাসহ ২৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আদালতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সিরাজগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সোহানুর রহমান রঞ্জু ও বিএনপি কর্মী আব্দুল লতিফ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ২৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।সোমবার (০৪ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার আসামিদের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। 

আদালতের জিআরও জুয়েল রানা এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নাসির উদ্দীন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, যুবদল নেতা সোহানুর রহমান রঞ্জু হত্যা মামলায় মোট আসামি ১৯৫ জন। এর মধ্যে ৭০ জন বর্তমানে জামিনে আছেন এবং শেখ হাসিনাসহ ১২৫ আসামি পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি কর্মী আব্দুল লতিফ হত্যা মামলায় মোট আসামি ১৭৮ জন। 

এই মামলায় ৪১ জন জামিনে থাকলেও শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩৭ আসামি পলাতক রয়েছেন। দুটি মামলায় সব মিলিয়ে ২৬২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর এই জোড়া হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবীর বিন আনোয়ার, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত মুন্না এবং সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরীসহ জেলা আওয়ামী লীগের ৩৭৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার এবং সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা। এছাড়াও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন এবং জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ ইউসুফ জুয়েলের নামও চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় সোহানুর রহমান রঞ্জু, আব্দুল লতিফ এবং সুমন শেখ নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা বাদী হয়ে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছিলেন।