জুন ৫, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
দুধ কেবল একটি পুষ্টিকর পানীয় নয়, এটি বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই উপাদানটি দিয়ে তৈরি হয় শত শত স্বাদের খাবার। উৎসব, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বিকেলের নাস্তায় দুধের তৈরি পদের কদর সবসময়ই বেশি।পায়েস বাঙালির ঐতিহ্যের প্রতীক।
ঘন দুধ, আতপ চাল, চিনি বা গুড় এবং এলাচ-দারুচিনির সুবাসে তৈরি পায়েস ছাড়া যেন কোনো অনুষ্ঠান পূর্ণ হয় না। বর্তমানে এর স্বাদে নতুনত্ব আনতে যোগ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাদাম ও ফল। আবার দুধ দীর্ঘ সময় জ্বাল দিয়ে ঘন করে তৈরি করা হয় ক্ষীর। এটি আলাদা মিষ্টি খাবার হিসেবে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি নানা ধরনের মিষ্টান্ন তৈরির মূল উপাদান হিসেবেও অপরিহার্য।
গুঁড়ো চাল ও দুধ দিয়ে তৈরি ফিরনি ও রাবড়িও দারুণ সুস্বাদু।দক্ষিণ এশিয়ার ফিরনি মাটির পাত্রে পরিবেশন করা হলে স্বাদের নতুন মাত্রা যোগ হয়। আর উত্তর ভারতের জনপ্রিয় রাবড়ি এখন বাংলাদেশের মানুষের রসনাতেও স্থান করে নিয়েছে।
দুধের তৈরি খাবারের তালিকায় দইয়ের অবস্থান অনেক উপরে। বগুড়ার দই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পরিচিতি পেয়েছে। গরমের দিনে দুধ ও ফলের মিশ্রণে তৈরি আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় শরীরকে সতেজ রাখে।ছানা ও পনিরের ব্যবহারও কম নয়।
দুধ কেটে তৈরি ছানা দিয়ে বানানো রসগোল্লা, সন্দেশ বা রসমালাই আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। আবার পনির দিয়ে তৈরি নানা ধরনের রান্না যেমন পনির বাটার মসালা এখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় উঠে আসছে। এই খাবারগুলো যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগায়। তাই প্রতিদিনের খাবারে দুধ ও দুধের তৈরি পদ রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন