বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ট্রেনের ১৭ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৭, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

ট্রেনের ১৭ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। আজ শনিবার (৭ মার্চ) অগ্রিম টিকিট বিক্রির পঞ্চম দিন হিসেবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আগামী ১৭ মার্চের আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট অনলাইনে ছেড়েছে। বরাবরের মতো এবারও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে শতভাগ টিকিট শুধুমাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

যাত্রীরা সরকারি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই তাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে যে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়ায় অঞ্চলভেদে সময়ের পার্থক্য রাখা হয়েছে। 

আজ সকাল ৮টা থেকে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে উন্মুক্ত করা হয়। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে। 

এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নন-এসি কোচের মোট আসনের ২৫ শতাংশ টিকিট দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে যা যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে কেনা যাবে।রেলওয়ে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন এবং সেক্ষেত্রে তিনি একসাথে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে অগ্রিম কেনা এই টিকিটগুলো কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ডযোগ্য হবে না। টিকিট সংগ্রহের জন্য যাত্রীদের রেল সেবা মোবাইল অ্যাপ অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নির্ধারিত তথ্য দিয়ে লগইন করতে হবে। 

প্রয়োজনীয় পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর যাত্রীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ই-টিকিট পাবেন যা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করার সুবিধা রয়েছে। টিকিট কেনার সময় এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে কালোবাজারি রোধ করা সম্ভব হয়।

ভ্রমণের সময় যাত্রীদের অবশ্যই প্রিন্ট করা টিকিটের পাশাপাশি নিজস্ব পরিচয়পত্রের কপি সঙ্গে রাখতে হবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে ঈদযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় স্টেশনগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করছে। অনলাইনে টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় সার্ভারে চাপ তৈরি হলেও এবার বিশেষ কারিগরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যেন স্বস্তিতে বাড়ি পৌঁছাতে পারেন সেজন্য রেলওয়ে বিভাগ ট্রেনের কোচ বাড়ানোর পাশাপাশি সব ধরনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে।