মার্চ ১৫, ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
সারাদেশে নৈতিক শিক্ষার অবক্ষয় রোধে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বেলা ১১টার পর স্পিকার মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে সমাজ ও শিক্ষার্থীদের নৈতিক মানোন্নয়নে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেবল ইসলাম শিক্ষা নয় বরং সব ধর্মের শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত থাকবেন যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজ নিজ ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়।
সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দেশের উচ্চশিক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার নিয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান যে বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং সরকার এগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন যে প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা বিবেচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি দেশে পরিচালিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনার জন্য ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়েও এক প্রশ্নের উত্তরে আশার কথা শুনিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি জানান যে সরকার শিগগিরই নতুন করে এমপিওভুক্তির আবেদন আহ্বান করবে এবং পূর্বের আবেদনগুলো পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বাছাই করা হবে। উল্লেখ্য যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে আজ থেকে মূল আলোচনা শুরু হয়েছে যেখানে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি তুলে ধরবেন। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন বসার কথা থাকলেও আজকের কার্যক্রম নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকেই শুরু হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন