মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৫ মার্চ বিকেলে এক বিশেষ বাণীর মাধ্যমে তিনি এই অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় ২৬ মার্চকে জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জাতির সেই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেন, যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং নির্যাতিতা মা-বোনদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস এ দেশের মানুষের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে প্রতিবছর নতুন করে উজ্জীবিত করে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। সেই ঐতিহাসিক লক্ষ্য অর্জনে দেশের প্রতিটি নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে হলে জাতীয় ঐক্য এবং পারস্পরিক সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে সবাই মিলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
শুভেচ্ছা বার্তার শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
দেশের সামগ্রিক উন্নতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আসা এই বার্তাটি জাতীয় সংহতি এবং দেশের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন