শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিক পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি

জাতীয় ডেস্ক

মে ৩১, ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিক পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি

সরকারি প্রশাসনিক ভবন

নবম পে স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে এই নতুন কাঠামো ধাপে ধাপে দেওয়ার পরিবর্তে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন বা বেসিক বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে সাধারণ কর্মচারীদের এই সংগঠনটি। 

রোববার সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলামের যৌথ স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাংগঠনিক অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।বিগত ১১ বছর ধরে নিম্নপদস্থ সরকারি কর্মচারীদের বেতনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মৌলিক বা ইতিবাচক পরিবর্তন করা হয়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে বর্তমানে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তা সাধারণ চাকুরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতার সম্পূর্ণ বাইরে চলে গেছে। গুঞ্জন অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে তিন ধাপের প্রথম ধাপে মূল বেতনের মাত্র ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। 

কিন্তু প্রথম ধাপেই যদি ১৫ শতাংশ বিশেষ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার বা সমন্বয় করা হয়, তবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের যে সামান্য বেতন বাড়বে, তা দিয়ে এক সপ্তাহের বাজার করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।ধাপে ধাপে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হলে দেশের অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিবার কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাড়তি সুযোগ পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই চরম আর্থিক ও প্রশাসনিক ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্মচারীরা প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক কার্যকর করে পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে অন্যান্য ভাতা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।

 

শতভাগ মূল বেতন বাস্তবায়ন না করে ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা চরম আত্মঘাতী হবে এবং কর্মচারীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করবে। দীর্ঘ ১১ বছর পর ঘোষিত এই কল্যাণমুখী বেতন কাঠামোটি যেন কর্মচারীদের জন্য অভিশাপ না হয়ে দাঁড়ায়, সেই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।