সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

জুন ১৪, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ

কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুর কিংবা কানাডা নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার তীব্র প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে স্থানীয় সুধী সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি দেশের সামগ্রিক পরিবর্তনের এই নতুন রূপরেখা তুলে ধরেন। 

দেশের মানুষের ভাগ্যের টেকসই পরিবর্তন এবং দেশকে একটি ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয় বিধায় তিনি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের কোনো সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন না হওয়ার কারণ নিয়ে অনুষ্ঠানে গভীর প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি জানান যে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকা সশরীরে পরিদর্শন করেছেন। 

ওই সমস্ত এলাকা ঘুরে তাঁর মনে হয়েছে যে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ বিগত ১৭ বছরে অনায়াসে সম্পন্ন হওয়া উচিত ছিল, তা রহস্যজনক কারণে করা হয়নি। ফলে বর্তমানে নতুন সরকারের সামনে অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ একসঙ্গে জমে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পর্যটন নগরী হিসেবে কক্সবাজারকে বিশ্বের দরবারে সঠিকভাবে তুলে ধরতে এবং একে একটি অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল শহর হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় অংশীজনদের তিনি এগিয়ে আসার তাগিদ দেন।কক্সবাজারের সামগ্রিক উন্নয়নকে গতিশীল করতে স্থানীয় বিমানবন্দরকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর এবং এখানে একটি আধুনিক মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার বড় প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

ওই বিশেষ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বলে দাপ্তরিকভাবে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সরাসরি গাড়ি চালিয়ে ঐতিহাসিক মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন এবং রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন।