জুলাই ৯, ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দণ্ডিত একজন আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলে না। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।তিনি জানান, বিদ্যমান বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতায় কোনো ঘাটতি নেই। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ চলছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারত ইতিবাচক ভূমিকা নেবে এবং দ্রুতই একটি প্রগতিশীল অগ্রগতি সম্ভব হবে।
মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস ও রদবদল প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি একটি চলমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রয়োজন, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যোগ্যতা ও দেশের প্রতি ভালোবাসাই এখানে মূল বিবেচ্য বিষয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন