শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

বন্ধুত্বের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, তা ভারতকে ভাবতে হবে:পানিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

আগস্ট ২৫, ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

বন্ধুত্বের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, তা ভারতকে ভাবতে হবে:পানিসম্পদমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পানিবণ্টন সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের প্রথা ও চুক্তিগুলো নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারণী মহলে সবসময় সতর্ক ও দায়িত্বশীল অবস্থান বজায় রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী নদনদীগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীভাঙন রোধে নীতিনির্ধারকরা সরাসরি মাঠপর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করছেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বন্ধুত্বের সম্পর্কের ওপর জোরালো বার্তা দিচ্ছেন।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক কতটা ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত, তা নিয়ে ভারতকে নতুন করে ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন’ এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। 

তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে ভারত থেকে পানি আসার দীর্ঘদিনের ধারা বা ট্রেন্ডের বিষয়ে সরকার ও দেশবাসী অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের বাহ্যিক আগ্রাসনের শিকার হবে না উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে ভারত সর্বোচ্চ সতর্কতা ও ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখবে। এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের ধারা পরিবর্তন করে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছে। বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান হিসেবে এই মেগা প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ দুর্নীতির ঊর্ধ্বে রেখে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব তিনি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পালন করছেন বলে জানান। 

একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার মানুষ নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি জানান যে আগামী মাসের যেকোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।