আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
সমরাস্ত্রে বিদেশি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত সামরিক সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানির এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে দেশের দ্বিতীয় অর্ডন্যান্স উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।বৃহস্পতিবার ফৌজদারহাটে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান।
দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা জলিল টেক্সটাইল মিলের প্রায় পঞ্চান্ন একর জমিতে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির এই সম্প্রসারিত কারখানা গড়ে উঠছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের পক্ষে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে জমি ও স্থাপনা হস্তান্তরের চুক্তি সম্পন্ন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই নতুন কারখানায় তিন বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ ও আনসারসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদিত হবে।
সেনাপ্রধান জানান, কেবল অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ নয়, বরং উৎপাদিত অতিরিক্ত সমরাস্ত্র আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী কৌশলগত অবস্থানে নির্মিত এই কারখানা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন