সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ মিশন

তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর: বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর: বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর আড়ম্বরপূর্ণ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার কূটনৈতিক মিশন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পাতায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন সরকারপ্রধান।

মাহ্দী আমিন জানান, পুরো সফরটি মাত্র ছয় দিনের জন্য নির্ধারিত। এর মধ্যে যাওয়া ও আসায় দুই দিন ব্যয় হবে এবং মাঝের মাত্র চার দিন কূটনৈতিক কর্মসূচিতে নিয়োজিত থাকবে। নিউইয়র্কে অবস্থানের এই দিনগুলোতে কোনো সময় নষ্ট না করে একের পর এক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক, জাতিসংঘের শীর্ষ পর্যায়ের অধিবেশন এবং কূটনৈতিক সংযোগে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গীর সংখ্যা মাত্র ৩৫ জন। সফরসঙ্গীদের মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিশেষ সহকারী মিলে রয়েছেন মোট ১৫ জন। প্রতিনিধিদলের বাকি সদস্যরা হলেন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গণমাধ্যম সমন্বয় এবং একান্ত দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত একান্ত আবশ্যক ব্যক্তিবর্গ।

রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মাহ্দী আমিন উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাঁদের সন্তান হিসেবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেবেন। একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কণ্ঠস্বর, জাতীয় স্বার্থ, সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও উন্নয়ন রূপরেখা বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন। এই অধিবেশনের আরেকটি অনন্য ঐতিহাসিক দিক হলো, প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে দেশের নেতৃত্ব দেবেন, ঠিক তখনই অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন তাঁরই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দীর্ঘ দুই দশকের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, এই আন্তর্জাতিক সফর কেবল জাতিসংঘে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ এবং দেশের আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত।